User
শেষ জোক পাঠক: এতগুলো জোকস পড়ে তো আমার পেট ব্যথা করছে! লেখক: তাহলে ডাক্তারের কাছে যান। আমি তো ডাক্তার নই!
User
জ্যোতিষী লোক: জ্যোতিষী বাবা, আমার ভবিষ্যৎ কী? জ্যোতিষী: তোমার ভবিষ্যৎ খুব অন্ধকার। লোক: কেন? জ্যোতিষী: কারণ তুমি তো এখন অমাবস্যার রাতে আমার কাছে এসেছ!
User
রেডিও শ্রোতা: হ্যালো, এটা কি রেডিও স্টেশন? আরজে: হ্যাঁ। শ্রোতা: আমার একটা গান শুনতে খুব ইচ্ছে করছে। আরজে: কোন গান? শ্রোতা: "আমি তোমায় ভালোবাসি..." আরজে: কিন্তু এই গানটা তো এখন চালানো যাবে না। শ্রোতা: কেন? আরজে: কারণ এই গানটা শুনলে আমার খুব কান্না পায়!
User
বিমান যাত্রী: এই বিমানটা কি খুব নিরাপদ? বিমানবালা: হ্যাঁ স্যার, একদম নিরাপদ। যাত্রী: কিন্তু আমি তো শুনেছি, এই বিমানটা নাকি খুব পুরনো। বিমানবালা: তাতে কী হয়েছে? পুরনো চাল ভাতে বাড়ে!
User
সেলুন নাপিত: স্যার, আপনার চুলগুলো খুব পেকে গেছে। লোক: তাহলে কালো করে দিন। নাপিত: কিন্তু কালো করলে তো আপনাকে খুব ইয়াং লাগবে! লোক: তাহলে তো ভালোই।
User
ফেসবুক ছেলে: মা, আমাকে একটা আইফোন কিনে দাও না। মা: কেন? ছেলে: কারণ আমার সব বন্ধুদের আইফোন আছে। মা: তাহলে তোর বন্ধুদের বাবাকে বল, তোকেও একটা কিনে দিতে!
User
বাসর রাত স্বামী: ওগো, আজ আমাদের বাসর রাত। তুমি কি নার্ভাস? স্ত্রী: না। স্বামী: কেন? স্ত্রী: কারণ এটা তো আমার প্রথম বাসর রাত নয়!
User
পরীক্ষা বাবা: কিরে, পরীক্ষা কেমন হলো? ছেলে: খুব ভালো। বাবা: তাহলে কত পাবি? ছেলে: ১০০ তে ১০। বাবা: তাহলে ভালো হলো কী করে? ছেলে: আরে, প্রশ্ন তো খুব কঠিন ছিল!
User
কৃপণ কৃপণ ১: জানিস, আমি না খুব কম খরচে চলি। কৃপণ ২: তাই নাকি? কীভাবে? কৃপণ ১: আমি রোজ সকালে উঠে এক গ্লাস জল খাই। আর দুপুরে ভাতের সাথে এক গ্লাস জল খাই। আর রাতে রুটির সাথে এক গ্লাস জল খাই। কৃপণ ২: তাহলে তো তোর জলের বিল অনেক আসে!
User
ভিখারি ভিখারি: স্যার, ১০টা টাকা দিন না। লোক: আমার কাছে খুচরো নেই। ভিখারি: তাহলে ৫০০ টাকার নোট দিন। আমি খুচরো করে দিচ্ছি।
User
মাতাল মাতাল ১: দোস্ত, তুই কি জানিস, আমি না খুব বড়লোক? মাতাল ২: তাই নাকি? তাহলে আমাকে ১০০০ টাকা ধার দে না। মাতাল ১: আমার কাছে তো টাকা নেই। মাতাল ২: তাহলে তুই বড়লোক হলি কী করে? মাতাল ১: আমি তো মনের দিক থেকে বড়লোক!
User
রাজনীতিবিদ জনগণ: নেতা সাহেব, আমাদের এলাকায় জলের খুব সমস্যা। নেতা: চিন্তা করবেন না। আমি নির্বাচিত হলে আপনাদের এলাকায় জলের নদী বইয়ে দেব! জনগণ: কিন্তু আমাদের তো টিউবওয়েল দরকার!
User
ইন্টারভিউ বস: আপনি কি বিবাহিত? প্রার্থী: না স্যার। বস: তাহলে তো আপনাকে চাকরি দেওয়া যাবে না। প্রার্থী: কেন স্যার? বস: কারণ আমরা এমন লোক খুঁজছি, যার সহ্যশক্তি খুব বেশি!
User
উকিল ও মক্কেল মক্কেল: উকিল সাহেব, আমার ডিভোর্স লাগবে। উকিল: কেন? কী হয়েছে? মক্কেল: আমার স্ত্রী আমাকে রোজ মারে। উকিল: তাহলে তো আপনার ডিভোর্স হবে না। মক্কেল: কেন? উকিল: কারণ আপনার স্ত্রী তো আপনাকে ভালোবাসে!
User
পুলিশ ও চোর পুলিশ: তুই চুরি করলি কেন? চোর: স্যার, আমি তো চুরি করিনি। আমি তো শুধু জিনিসটা নিয়েছিলাম। পুলিশ: কিন্তু তুই তো ওটা না বলেই নিয়েছিস! চোর: স্যার, আমি তো ভাবলাম, ওটা কারোরই না!
User
বন্ধু ১০ ১ম বন্ধু: দোস্ত, তুই কি জানিস, আমি না খুব সাহসী? ২য় বন্ধু: তাই নাকি? তাহলে একটা সাহসী কাজ করে দেখা তো। ১ম বন্ধু: (একটা তেলাপোকা ধরে) এই দেখ!
User
বন্ধু ৯ ১ম বন্ধু: দোস্ত, জানিস, আমি না খুব ভালো গান গাইতে পারি। ২য় বন্ধু: তাই নাকি? তাহলে একটা গান গা তো। ১ম বন্ধু: (গান গাইতে শুরু করল) "আমি তোমায় ভালোবাসি..." ২য় বন্ধু: থাম থাম! আমার কান ফেটে যাচ্ছে!
User
বন্ধু ৮ ১ম বন্ধু: দোস্ত, তুই কি জানিস, মেয়েরা কেন মেকআপ করে? ২য় বন্ধু: না। ১ম বন্ধু: কারণ ওরা নিজেদের আসল চেহারা লুকাতে চায়!
User
বন্ধু ৭ ১ম বন্ধু: দোস্ত, জানিস, আমি না খুব বড়লোক হতে চাই। ২য় বন্ধু: তাহলে কী করবি? ১ম বন্ধু: আমি একটা ব্যাংক ডাকাত হব!
User
বন্ধু ৬ ১ম বন্ধু: দোস্ত, তুই কি জানিস, ভালোবাসা কী? ২য় বন্ধু: হ্যাঁ, জানি। ১ম বন্ধু: কী? ২য় বন্ধু: ভালোবাসা হলো—নিজের পকেটের টাকা অন্যকে দিয়ে দেওয়া!
User
বন্ধু ৫ ১ম বন্ধু: দোস্ত, জানিস, আমি না খুব বিপদে পড়েছি। ২য় বন্ধু: কী হয়েছে রে? ১ম বন্ধু: আমার গার্লফ্রেন্ড আমাকে বিয়ে করতে চাইছে। ২য় বন্ধু: তাহলে তো ভালোই। বিয়ে করে ফেল। ১ম বন্ধু: কিন্তু ও তো আমার থেকে ১০ বছরের বড়!
User
বন্ধু ৪ ১ম বন্ধু: দোস্ত, চল আজ কোথাও ঘুরতে যাই। ২য় বন্ধু: কোথায় যাবি? ১ম বন্ধু: যেখানে তোর পকেটের টাকা শেষ হবে না! ২য় বন্ধু: তাহলে তো নিজের বাড়িতেই থাকতে হবে!
User
বন্ধু ৩ ১ম বন্ধু: দোস্ত, জানিস, আমি না খুব বড় একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ২য় বন্ধু: কী সিদ্ধান্ত? ১ম বন্ধু: আমি আর প্রেম করব না। ২য় বন্ধু: কেন রে? ছ্যাকা খেয়েছিস বুঝি? ১ম বন্ধু: না রে, আসলে আমার বউ জেনে গেছে!
User
বন্ধু ২ ১ম বন্ধু: দোস্ত, তোর গার্লফ্রেন্ড দেখতে কেমন রে? ২য় বন্ধু: চাঁদের মতো। ১ম বন্ধু: মানে খুব সুন্দর? ২য় বন্ধু: না রে, মানে গর্তে ভরা!
User
বন্ধু ১ ১ম বন্ধু: দোস্ত, জানিস, আমি না কাল রাতে স্বপ্নে দেখলাম, আমি লটারিতে ১ কোটি টাকা পেয়েছি! ২য় বন্ধু: তাই নাকি! তাহলে আমাকে কিছু দিবি না? ১ম বন্ধু: আরে, স্বপ্ন তো স্বপ্নই। বাস্তবে পেলে অবশ্যই দিতাম!
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ১৫ প্রেমিক: জানু, তুমি কি আমার হবে? প্রেমিকা: না। প্রেমিক: কেন? প্রেমিকা: কারণ আমি তো অন্য কারো হতে চাই না!
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ১৪ প্রেমিকা: তুমি কি আমাকে সত্যি ভালোবাসো, নাকি শুধুই টাইমপাস করছ? প্রেমিক: আমি তো টাইমপাসই করছি। প্রেমিকা: (রেগে) কী বললে? প্রেমিক: আরে, তোমার সাথে টাইমপাস করতে আমার খুব ভালো লাগে!
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ১৩ প্রেমিক: জানু, তুমি কি আমার সাথে সিনেমা দেখতে যাবে? প্রেমিকা: না, আমার মুড নেই। প্রেমিক: তাহলে চলো, শপিংয়ে যাই। প্রেমিকা: (লাফিয়ে উঠে) চলো চলো!
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ১২ প্রেমিকা: তুমি কি আমার জন্য তাজমহল বানাতে পারবে? প্রেমিক: হ্যাঁ, পারব। কিন্তু তার আগে তোমাকে মমতাজ হতে হবে!
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ১১ প্রেমিক: জানু, তুমি কি জানো, আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচব না? প্রেমিকা: তাহলে মরে যাও! প্রেমিক: কিন্তু তুমি যে বলেছিলে, আমার জন্য জীবন দিতে পারবে!
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ১০ প্রেমিকা: তুমি আমাকে নিয়ে একটা রোমান্টিক কবিতা লেখো না। প্রেমিক: আমি তো কবি নই। প্রেমিকা: তাহলে অন্তত একটা শায়েরি তো বলো। প্রেমিক: "আলুর চপ, বেগুনি, পেঁয়াজি... তুমি আমার জীবনসঙ্গিনী!"
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ৯ প্রেমিক: জানু, তোমার হাসিটা খুব সুন্দর। প্রেমিকা: তাই নাকি? প্রেমিক: হ্যাঁ, একদম পেপসোডেন্টের বিজ্ঞাপনের মতো!
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ৮ প্রেমিকা: তুমি কি আমার জন্য জীবন দিতে পারবে? প্রেমিক: না। প্রেমিকা: কেন? প্রেমিক: কারণ আমার জীবন তো তুমিই!
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ৭ প্রেমিক: জানু, তুমি কি জানো, ভালোবাসা অন্ধ? প্রেমিকা: হ্যাঁ, জানি। তাই তো তোমাকে ভালোবেসেছি!
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ৬ প্রেমিকা: তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে? প্রেমিক: আমি তো বেকার। তোমাকে খাওয়াব কী? প্রেমিকা: চিন্তা করো না। আমি বাপের বাড়ি থেকে খেয়ে আসব!
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ৫ প্রেমিক: জানু, তোমার চোখ দুটো খুব সুন্দর। প্রেমিকা: তাই নাকি? প্রেমিক: হ্যাঁ, একদম আমার দাদির মতো!
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ৪ প্রেমিকা: তুমি আমাকে আর আগের মতো ভালোবাসো না। প্রেমিক: কে বলল? আমি তো তোমাকে এখনও পাগলের মতো ভালোবাসি। প্রেমিকা: তাহলে আমার জন্মদিনের কথা ভুলে গেলে কী করে? প্রেমিক: আসলে আমি তোমার বয়স বাড়াতে চাই না!
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ৩ প্রেমিক: জানু, তুমি কি আমার জন্য সবকিছু করতে পারবে? প্রেমিকা: হ্যাঁ, পারব। প্রেমিক: তাহলে তোমার বাবার কাছ থেকে আমার জন্য একটা আইফোন চেয়ে দাও না!
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ২ প্রেমিকা: আমরা বিয়ে করলে কোথায় হানিমুনে যাব? প্রেমিক: সুইজারল্যান্ড। প্রেমিকা: ওয়াও! সত্যি? প্রেমিক: হ্যাঁ, স্বপ্নে!
User
প্রেমিক ও প্রেমিকা ১ প্রেমিকা: জানু, তুমি আমাকে কতটা ভালোবাসো? প্রেমিক: আকাশের যত তারা আছে, ততটা। প্রেমিকা: কিন্তু এখন তো দিন! প্রেমিক: দিনে কি তারা দেখা যায় নাকি?
User
ডাক্তার ও রোগী ১৫ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমার খুব ঠান্ডা লাগছে। ডাক্তার: তাহলে গরম জামাকাপড় পরুন। রোগী: কিন্তু এখন তো গরমকাল!
User
ডাক্তার ও রোগী ১৪ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমার মনে হয় আমি পাগল হয়ে গেছি। আমি আজকাল নিজেকে কুকুর মনে করি। ডাক্তার: কবে থেকে? রোগী: ছোটবেলা থেকেই!
User
ডাক্তার ও রোগী ১৩ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমার খুব খিদে পাচ্ছে। ডাক্তার: তাহলে কিছু খেয়ে নিন। রোগী: কিন্তু আমি তো ডায়েটে আছি! ডাক্তার: তাহলে বাতাস খেয়ে থাকুন!
User
ডাক্তার ও রোগী ১২ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমার মনে হয় আমার হার্টে সমস্যা আছে। ডাক্তার: কেন? কী হয়েছে? রোগী: আমি যখনই আমার গার্লফ্রেন্ডকে দেখি, তখনই আমার হার্টবিট বেড়ে যায়!
User
ডাক্তার ও রোগী ১১ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমার খুব ঘুম পাচ্ছে। ডাক্তার: তাহলে ঘুমিয়ে পড়ুন। রোগী: কিন্তু আমি তো আপনার চেম্বারে এসেছি! ডাক্তার: তাতে কী হয়েছে? আমার চেম্বারে ঘুমালে তো আর কেউ আপনাকে বিরক্ত করবে না!
User
ডাক্তার ও রোগী ১০ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমার মনে হয় আমি মরে গেছি। ডাক্তার: তাহলে এখানে এসেছেন কেন? রোগী: ডেথ সার্টিফিকেট নিতে!
User
ডাক্তার ও রোগী ৯ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমি কি আর বাঁচব না? ডাক্তার: কেন বাঁচবেন না? অবশ্যই বাঁচবেন। রোগী: কিন্তু আপনি তো বললেন আমার ক্যান্সার হয়েছে! ডাক্তার: আরে ওটা তো এপ্রিল ফুল ছিল!
User
ডাক্তার ও রোগী ৮ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমার খুব মাথা ব্যথা করছে। ডাক্তার: তাহলে মাথাটা কেটে ফেলে দিন!
User
ডাক্তার ও রোগী ৭ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমার মনে হয় আমার পেটে একটা বিড়াল ঢুকেছে। ডাক্তার: কেন? কী হয়েছে? রোগী: আমি যখনই দুধ দেখি, তখনই আমার 'মিউ মিউ' করতে ইচ্ছে করে!
User
ডাক্তার ও রোগী ৬ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমার খুব কাশি হচ্ছে। ডাক্তার: এই সিরাপটা নিন। দিনে তিনবার খাবেন। রোগী: কিন্তু ডাক্তারবাবু, আমার তো কাশি নেই! ডাক্তার: তাহলে সিরাপটা কেন নিতে চাইছেন? রোগী: আসলে আমার সিরাপ খেতে খুব ভালো লাগে!
User
ডাক্তার ও রোগী ৫ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমার দাঁত তুলতে কত টাকা লাগবে? ডাক্তার: ৫০০ টাকা। রোগী: এত টাকা! একটু কম হবে না? ডাক্তার: ঠিক আছে, তাহলে আমি অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া দাঁত তুলব। তখন কিন্তু চিৎকার করলে ২০০ টাকা ফাইন!
User
ডাক্তার ও রোগী ৪ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমার একটা সমস্যা আছে। আমি সব সময় ভুলে যাই। ডাক্তার: কবে থেকে এই সমস্যা হচ্ছে? রোগী: কোন সমস্যা?
User
ডাক্তার ও রোগী ৩ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমার মনে হয় আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি। ডাক্তার: কেন? কী হয়েছে? রোগী: আমি আজকাল নিজেকে আয়নায় দেখতে পাই না। ডাক্তার: তাহলে তো সমস্যা। আপনি কি চশমা পরেন? রোগী: হ্যাঁ। ডাক্তার: তাহলে চশমাটা পরে আয়নার সামনে দাঁড়ান।
User
ডাক্তার ও রোগী ২ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমার পেটে খুব ব্যথা। ডাক্তার: কাল রাতে কী খেয়েছিলেন? রোগী: পচা মাছ। ডাক্তার: তাহলে তো পেটে ব্যথা হবেই। পচা মাছ খেলেন কেন? রোগী: আসলে ওটা পচা ছিল না, কিন্তু আমার স্ত্রী রান্না করেছিল তো, তাই পচে গেছে!
User
ডাক্তার ও রোগী ১ রোগী: ডাক্তারবাবু, আমার সব চুল পড়ে যাচ্ছে। ডাক্তার: চিন্তা করবেন না। চুল পড়ে গেলে তো আর শ্যাম্পু করার ঝামেলা থাকবে না!
User
ছাত্র ও শিক্ষক ১৫ শিক্ষক: বলো তো, সবচেয়ে চালাক প্রাণী কোনটি? ছাত্র: স্যার, শেয়াল। শিক্ষক: কেন? ছাত্র: কারণ ওরা মুরগি চুরি করে খায়, কিন্তু কেউ ধরতে পারে না!
User
ছাত্র ও শিক্ষক ১৪ শিক্ষক: তুমি কি জানো, গাছ আমাদের কী দেয়? ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, ছায়া দেয়, ফল দেয়, কাঠ দেয়... শিক্ষক: আর? ছাত্র: আর মাঝে মাঝে স্যারদের বেতের বাড়ি থেকে বাঁচায়! (গাছের আড়ালে লুকিয়ে)
User
ছাত্র ও শিক্ষক ১৩ শিক্ষক: তোমার রোল নম্বর কত? ছাত্র: স্যার, ৪২০। শিক্ষক: মানে? ছাত্র: স্যার, আমার রোল নম্বর ৪২, আর আমি আপনার সাথে একটু মজা করলাম!
User
ছাত্র ও শিক্ষক ১২ শিক্ষক: ক্লাসে ঘুমাচ্ছ কেন? ছাত্র: স্যার, আমি তো ঘুমাইনি, আমি তো চোখ বন্ধ করে আপনার কথাগুলো ভাবছিলাম!
User
ছাত্র ও শিক্ষক ১১ শিক্ষক: বলো তো, ভারতের জাতীয় পশু কোনটি? ছাত্র: স্যার, বাঘ। শিক্ষক: গুড! এবার বলো তো, তোমার প্রিয় পশু কোনটি? ছাত্র: স্যার, আপনি!
User
ছাত্র ও শিক্ষক ১০ শিক্ষক: তুমি কি জানো, পৃথিবী গোল? ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, জানি। শিক্ষক: কে বলেছে? ছাত্র: স্যার, আমার ভূগোল বইয়ে লেখা আছে!
User
ছাত্র ও শিক্ষক ৯ শিক্ষক: বলো তো, মুরগি আগে না ডিম আগে? ছাত্র: স্যার, যেটা অর্ডার দেবেন, সেটাই আগে আসবে!
User
ছাত্র ও শিক্ষক ৮ শিক্ষক: তোমার হোমওয়ার্ক কোথায়? ছাত্র: স্যার, আমার খাতাটা গরু খেয়ে ফেলেছে! শিক্ষক: গরু খাতা খায় নাকি? ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, আমাদের গরুটা খুব শিক্ষিত!
User
ছাত্র ও শিক্ষক ৭ শিক্ষক: ক্লাসে এত কথা বলছ কেন? ছাত্র: স্যার, আমি তো কথা বলছি না, আমি তো অঙ্ক করছি! শিক্ষক: অঙ্ক করার সময় কথা বলতে হয়? ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, মনে মনে অঙ্ক করলে তো ভুল হয়ে যায়!
User
ছাত্র ও শিক্ষক ৬ শিক্ষক: তুমি বড় হয়ে কী হতে চাও? ছাত্র: স্যার, আমি বড় হয়ে বিয়ে করতে চাই!
User
ছাত্র ও শিক্ষক ৫ শিক্ষক: বলো তো, তাজমহল কোথায় অবস্থিত? ছাত্র: স্যার, আগ্রায়। শিক্ষক: গুড! এবার বলো তো, আগ্রা কোথায় অবস্থিত? ছাত্র: স্যার, তাজমহলের পাশে!
User
ছাত্র ও শিক্ষক ৪ শিক্ষক: তোমার বাবার নাম কী? ছাত্র: স্যার, আমার বাবার নাম তো আমি জানি না। শিক্ষক: কেন? ছাত্র: কারণ বাবাকে তো আমি 'বাবা' বলেই ডাকি!
User
ছাত্র ও শিক্ষক ৩ শিক্ষক: ক্লাসে এত দেরি করে এলে কেন? ছাত্র: স্যার, রাস্তায় জ্যাম ছিল। শিক্ষক: কিসের জ্যাম? ছাত্র: স্যার, ট্রাফিক জ্যাম!
User
ছাত্র ও শিক্ষক ২ শিক্ষক: বলো তো, জল কয় প্রকার? ছাত্র: স্যার, চার প্রকার। শিক্ষক: কী কী? ছাত্র: খাওয়ার জল, ধোয়ার জল, বৃষ্টির জল আর চোখের জল!
User
ছাত্র ও শিক্ষক শিক্ষক: নিউটনের সূত্রগুলো বলো। ছাত্র: স্যার, আমি তো নিউটন নই। আমি কী করে বলব?
User
স্বামী-স্ত্রী ও ভবিষ্যৎ স্ত্রী: আচ্ছা, আমি মরে গেলে তুমি কি আবার বিয়ে করবে? স্বামী: পাগল নাকি! আমি তো আর একই ভুল দুবার করব না!
User
স্বামী-স্ত্রী ও সেলফি স্ত্রী: ওগো, চলো একটা সেলফি তুলি। স্বামী: এখন না, আমি খুব ক্লান্ত। স্ত্রী: প্লিজ, একটা মাত্র! স্বামী: ঠিক আছে, তোলো। স্ত্রী: (সেলফি তুলে) দেখেছ, তোমাকে কত সুন্দর লাগছে! স্বামী: হ্যাঁ, তোমার পাশে দাঁড়ালে যে কাউকে সুন্দর লাগে!
User
স্বামী-স্ত্রী ও ডাক্তার স্বামী: ডাক্তারবাবু, আমার স্ত্রীর গলা ব্যথা। ডাক্তার: ঠিক আছে, ওকে জিভ বের করতে বলুন। স্বামী: কিন্তু ও তো জিভ বের করতেই চাইছে না! ডাক্তার: তাহলে তো সমস্যা। জিভ বের না করলে আমি বুঝব কী করে যে ওর গলা ব্যথা নাকি অন্য কিছু? স্বামী: (স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে) ওগো, ডাক্তারবাবুকে জিভটা দেখাও না। উনি তো আর তোমার সাথে ঝগড়া করবেন না!
User
স্বামী-স্ত্রী ও ঝগড়া ২ স্ত্রী: তুমি আমাকে নিয়ে একটুও ভাবো না। স্বামী: কেন ভাবব না? আমি তো সারাক্ষণ তোমার কথাই ভাবি। স্ত্রী: তাহলে বলো তো, আজ আমি কোন রঙের শাড়ি পরেছি? স্বামী: (কিছুক্ষণ ভেবে) লাল? স্ত্রী: দেখলে, তুমি তাকাওনি পর্যন্ত! আমি তো নীল শাড়ি পরে আছি!
User
স্বামী-স্ত্রী ও রেস্টুরেন্ট স্বামী-স্ত্রী রেস্টুরেন্টে খেতে গেছে। স্ত্রী: ওগো, এই রেস্টুরেন্টের খাবারটা খুব সুস্বাদু, তাই না? স্বামী: হ্যাঁ, ঠিক তোমার হাতের রান্নার উল্টো!
User
স্বামী-স্ত্রী ও ঘুম স্বামী: তুমি কি জানো, ঘুমের মধ্যে তুমি নাক ডাকো? স্ত্রী: আমি নাক ডাকি না, আমি তো স্বপ্নের মধ্যে গান গাই!
User
স্বামী-স্ত্রী ও বাজার স্বামী বাজার থেকে ফিরেছে। স্ত্রী: এই মাছটা কত দিয়ে কিনলে? স্বামী: ৫০০ টাকা। স্ত্রী: ও মা! এত দাম! তুমি কি ঠকেছ? স্বামী: না, মাছওয়ালা বলল—এটা নাকি স্পেশাল মাছ, জলে সাঁতার কাটতে পারে!
User
স্বামী-স্ত্রী ও সিনেমা স্বামী: চলো, আজ সিনেমা দেখতে যাই। স্ত্রী: কোন সিনেমা? স্বামী: 'ভুলভুলাইয়া ৩'। স্ত্রী: না, ভুতের সিনেমা আমি দেখব না। ভয় লাগে। স্বামী: আরে ভয় নেই, আমি তো আছি!
User
স্বামী-স্ত্রী ও শাশুড়ি স্ত্রী: জানো, মা আজ ফোন করেছিল। স্বামী: তাই নাকি? কী বলল? স্ত্রী: বলল, তুমি নাকি আমাকে খুব সুখে রেখেছ। স্বামী: হ্যাঁ, তা তো বটেই। তোমার মা কি জানে যে আমি রোজ সকালে তোমার পা টিপে দিই?
User
স্বামী-স্ত্রী ও ড্রাইভিং স্বামী তার স্ত্রীকে গাড়ি চালানো শেখাচ্ছে। স্বামী: সামনে দেখো, ব্রেক কষো! স্ত্রী: আমি তো ব্রেকই খুঁজে পাচ্ছি না! স্বামী: তাহলে অন্তত হর্নটা তো বাজাও!
User
স্বামী-স্ত্রী ও ফোন স্ত্রী তার স্বামীর ফোন চেক করছে। স্ত্রী: এই 'কেয়ারটেকার' নামে কার নাম্বার সেভ করা? স্বামী: ওটা তো তোমার নাম্বার! স্ত্রী: মানে? স্বামী: মানে তুমিই তো আমার সবকিছুর কেয়ার নাও!
User
স্বামী-স্ত্রী ও উপহার স্ত্রী: আজ আমাদের বিবাহবার্ষিকী। তুমি আমাকে কী উপহার দেবে? স্বামী: কী চাও বলো? স্ত্রী: এমন কিছু দাও, যা দেখে আমার চোখ ধাঁধিয়ে যাবে! স্বামী: ঠিক আছে, এই নাও—টর্চলাইট!
User
স্বামী-স্ত্রী ও রান্না স্ত্রী: আজকের রান্নাটা কেমন হয়েছে গো? স্বামী: সত্যি কথা বলব? স্ত্রী: হ্যাঁ, অবশ্যই। স্বামী: তাহলে আগে প্রতিজ্ঞা করো, রেগে যাবে না। স্ত্রী: ঠিক আছে, প্রতিজ্ঞা করলাম। স্বামী: রান্নাটা একদম... তোমার মায়ের মতো হয়েছে!
User
স্বামী-স্ত্রী ও ঝগড়া স্ত্রী: তুমি আমাকে আর আগের মতো ভালোবাসো না। স্বামী: কে বলল? আমি তো তোমাকে এখনও পাগলের মতো ভালোবাসি। স্ত্রী: তাহলে কাল রাতে ঘুমের ঘোরে অন্য মেয়ের নাম ধরে ডাকছিলে কেন? স্বামী: আরে, ওটা তো আমার নতুন বসের নাম!
User
স্বামী-স্ত্রী ও শপিং স্ত্রী: ওগো শুনছো, আমার একটা নতুন শাড়ি লাগবে। স্বামী: কিন্তু তোমার তো আলমারি ভর্তি শাড়ি! স্ত্রী: আরে ওগুলো তো পুরনো। স্বামী: তাহলে এক কাজ করো, তোমার পুরনো শাড়িগুলো নতুন করে ইস্ত্রি করে নাও!
User
বল্টুর বিয়ে ঘটক: মেয়ে খুব ভালো, গান জানে, রান্না জানে, সেলাই জানে... বল্টু: থামুন! আমি কি বিয়ে করছি, নাকি কোনো মাল্টি-ট্যালেন্টেড কর্মী নিয়োগ দিচ্ছি?
User
বল্টু ও পুলিশ পুলিশ: এই ছেলে, হেলমেট ছাড়া বাইক চালাচ্ছ কেন? বল্টু: স্যার, আমার গার্লফ্রেন্ড বলেছে আমাকে হেলমেট ছাড়া হিরোর মতো লাগে! পুলিশ: ঠিক আছে, তোমার গার্লফ্রেন্ডের নাম্বার দাও। ওকে ফোন করে বলি, হিরো এখন থানায়!
User
বল্টুর হোমওয়ার্ক শিক্ষক: বল্টু, তোমার হোমওয়ার্ক কোথায়? বল্টু: স্যার, কাল রাতে লোডশেডিং ছিল। শিক্ষক: তো মোমবাতি জ্বালিয়ে করতে পারতে। বল্টু: স্যার, দেশলাই খুঁজে পাচ্ছিলাম না। শিক্ষক: কেন? বল্টু: কারণ ওটা মন্দিরে রাখা ছিল। শিক্ষক: তো মন্দির থেকে আনতে পারতে। বল্টু: স্যার, আমি স্নান করিনি, তাই মন্দিরে ঢুকতে পারিনি। শিক্ষক: কেন স্নান করোনি? বল্টু: জল ছিল না স্যার। শিক্ষক: জল কেন ছিল না? বল্টু: মোটর চলেনি তাই। শিক্ষক: মোটর কেন চলেনি? বল্টু: স্যার, বললাম না—লোডশেডিং ছিল!
User
বল্টুর চিঠি বল্টু তার বাবাকে চিঠি লিখছে: "বাবা, টাকা পাঠাও। ইতি, তোমার ছেলে।" মা: কিরে, এত ছোট চিঠি? বল্টু: মা, এখন ডিজিটাল যুগ। শর্টকাটে কাজ সারতে হয়।
User
বল্টু ও ডাক্তার ডাক্তার: আপনার দাঁত তো সব পোকা খেয়ে ফেলেছে। আপনি কি খুব চকলেট খান? বল্টু: না ডাক্তারবাবু, আমি চকলেট খাই না। আসলে আমার দাঁতের পোকাগুলোই চকলেট খায়!
User
বল্টুর জ্ঞান শিক্ষক: বল্টু, বলো তো—পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে, নাকি সূর্য পৃথিবীর চারদিকে? বল্টু: স্যার, এসব ঘোরঘুরির খবর রাখার সময় আমার নেই!
User
বল্টু ও তার প্রেমিকা প্রেমিকা: জানো, আমার বাবা আমাকে বলেছে, আমি যদি পরীক্ষায় ফেল করি, তাহলে আমার বিয়ে দিয়ে দেবে। বল্টু: ধুর বোকা! চিন্তা করিস না, আমি তো আছি। আমিও ফেল করব!
User
বল্টুর বুদ্ধি বল্টু তার বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করছিল। বাবা হাতেনাতে ধরে ফেলে বললেন: লজ্জা করে না, বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করছিস? বল্টু: বাবা, তুমিই তো বলেছিলে—নিজের কাজ নিজে করতে শেখো!
User
বল্টু ও ভিক্ষুক ভিক্ষুক: বাবা, ১০টা টাকা দাও না, তিন দিন ধরে কিছু খাইনি। বল্টু: কেন, তোমার কি ফেসবুক নেই? ভিক্ষুক: আছে তো। বল্টু: তাহলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দাও, "ফিলিং হাংরি উইথ ফ্যামিলি"। বন্ধুরা দেখবে আর খাওয়াবে!
User
বল্টুর অঙ্ক শিক্ষক: বল্টু, মনে করো তোমার কাছে ১০টা আপেল আছে। তার থেকে ৫টা আমি নিয়ে নিলাম। তাহলে তোমার কাছে কী থাকবে? বল্টু: স্যার, আপনার প্রতি আমার ঘৃণা থাকবে!
User
বল্টু ও বাস কন্ডাক্টর কন্ডাক্টর: এই ছেলে, টিকিট কাট। বল্টু: আমি স্টুডেন্ট, হাফ টিকিট। কন্ডাক্টর: কই দেখি আইডি কার্ড? বল্টু: আইডি কার্ড তো নেই, তবে স্কুলের ড্রেস পরে আছি, দেখতে পাচ্ছ না? কন্ডাক্টর: স্কুলের ড্রেস তো আমিও পরে আসতে পারি। বল্টু: হ্যাঁ পারো, কিন্তু এই বয়সে হাফপ্যান্ট পরে স্কুলে যেতে তোমার লজ্জা করবে না?
User
বল্টুর লজিক শিক্ষক: বল্টু, বলো তো—সবচেয়ে হাসিখুশি প্রাণী কোনটি? বল্টু: স্যার, তিমি মাছ। শিক্ষক: কেন? বল্টু: কারণ ওরা সবসময় সমুদ্রের জলে সাঁতার কাটে, আর আমরা জানি—জলের আরেক নাম জীবন!
User
বল্টু ও মশা মা: কিরে বল্টু, মশারির ভেতর বসে আছিস কেন? বল্টু: আর বোলো না মা, মশাগুলোকে ধোঁকা দিচ্ছি। ওরা ভাবছে আমি ঘুমিয়ে আছি, তাই বাইরে ঘুরছে। আর আমি ভেতরে বসে আরাম করছি।
User
বল্টুর ভবিষ্যৎ বাবা: কিরে বল্টু, তোর রেজাল্ট তো খুব খারাপ। ভবিষ্যতে কী করবি? বল্টু: কেন বাবা? তোমার তো অনেক টাকা আছে। সেগুলো ওড়াবো!
User
বল্টু ও ইন্টারভিউ বস: আমাদের কোম্পানিতে কাজ করতে হলে আপনাকে সব সময় হাসিখুশি থাকতে হবে। বল্টু: ঠিক আছে স্যার। কিন্তু বেতন কত দেবেন? বস: মাসে ৫০০০ টাকা। বল্টু: (রেগে) মাসে ৫০০০ টাকা বেতনে হাসবে আপনার বাবা!